স্টাফ রিপোর্টার,গৌরনদী।
চির নতুনের সাধ কারই-বা না আছে ? তরতাজা হয়ে চিরটা কাল কাটাতে কে বা না চায় ? বাস্তবে কি তা সম্ভব। নব বর্ষের পূন্য বাসরে মন তো অনেক নতুন স্বপ্ন দেখায়। কিন্তু কয়েকটা দিন যেতে না যেতেই সংসারের মারপ্যাঁচে বর্ষশেসের দিনটিতে পৌঁছে যায়। ফের শূরু হয় ভাবনাÑসুন্দর করে বাঁচার চিন্তা। রোগী চায় সুস্থ হতে,ধনী আরো ধনী,গরীব চায় ধন-সম্পদ,চিকন চায় সাস্থ, মোটা চায় চিকন। ছাত্র ছাত্রীরা মেধার কাঙ্গাল। একই সময় হয়ত কোন মা বাবা সন্তান কামনায় মগ্ন। কেউ আবার অন্যের উপকারের বাসনায় ছটফট করছে। কতই না ভাবনা রয়েছে। এর মুলে রয়েছে একে অপরকে জব্দ করার বাসনা। এই সব চিন্তাভাবনা মানুষকে সঞ্জীবনী মন্ত্রে দীক্ষিত করে।
এমনি ভাবে সংসারের একটি মানুষ আরেকটি মানুষের কাছে হাত পেতে দাঁড়ায় জীবনে সঞ্জীবনী শক্তি লাভের আশায়। কিন্ত ভালো বাসার বেসাতিতে স্বার্থপরতা,অহঙ্কার,লালসা,নিরবুদ্ধিতা প্রভৃতি এ সব ক্ষেত্রে বিপর্যয় ঘটায়। কম আর বেশী। অথচ একটুখানী বিচার বোধ থাকলে জীবন প্রকৃত অর্থে জীবন হয়ে উঠত। আর যখন তা হয় না তখনই মানুষ বেড়িয়ে পরে সঞ্জীবনীর খোঁজে।
হয়ত ভাবছেন দেহ-মন-অর্থ সবকিছুরই বিনিময়ে সংসারের স্ত্রী কিংবা পুরুষ প্রানীটির কাজ থেকে সঞ্জীবনী দাওয়াই পেলে জীবন সর্বদা সজীব হয়ে থাকবে। আসলে বাস্তবতায় তা হওয়ার পার্সেন্টিস অপ্রতুল। এরকমই প্রতিটি মানুষ ভিক্ষুকের রান্না ঘড় থেকে রাজ দরবার পর্যন্ত নিয়মিত কিংবা অনিয়মিত হতাসার জালে আবদ্ধ হয়ে সপ্ন দেখেন সঞ্জীবনীর । তাই আমার জীবনের সঞ্জীবনী হলো বাংলাদেশের পরিত্যাক্ত লতা পাতা হতে পারে দেশের সোনা। সঞ্জীবনীর খোজ পেতে থাকুন গৌরনদী আইয়ুর্বেদিক সেন্টারের সাথে।(সৌজন্যে,গৌরনদী আইয়ুর্বেদিক সেন্টার)