Published On: Wed, Aug 2nd, 2017

মুসলমানদের মতানৈক্যর ঐক্য এবং হৃদয়ের কায়েদ ছাহেব (রহঃ) প্রথম পর্ব

Share This
Tags

মোঃ আহছান উল্লাহ

সম্মানীত পাঠক,
হযরত বাবা আদম (আঃ) এর পৃথিবীতে আগমনের পর থেকে হযরত ঈসা (আঃ) পর্যন্ত যত নবী রাসুল আল্লাহতায়ালা পৃথিবীর মানুষের কল্যানের জন্য প্রেরন করেছেন এবং একজন নবী রাসুল ইন্তেকালের কয়েক ঘন্টার মধ্যে আরেকজন নবী রাসুল প্রেরীত হয়েছেন এবং উম্মতের রাখাল হয়ে দায়ভার গ্রহন করেছেন। কিন্তু আপনার আমার নবী কুলকায়নাতের নবী দুলালে আমেণা বুলবুলে মদিনা খাতামুন নবীয়িন রহমাতাল্লিল আলামীন নবী (সাঃ) এর ইন্তেকালের পর ১৫ শ বছর পার হয়ে গেল তিনি পৌনে দুই কোটি মুসলমান রেখে গেছেন বর্তমানে আমাদের মুসলমানদের সংখ্যা প্রায় দু-শ কোটি,তিনি মাত্র একটি রাষ্ট্র রেখে গেছেন বর্তমানে আমাদের মুসলমানদের প্রায় ৭০ টি রাষ্ট্র আমাদের নবী নাই রাখাল নাই আমাদের কে দেকবে ? অতপর একদিন নবী (সাঃ) এক মজলিসে বলছেন আমার পরে আর কোন নবী নাই তোমাদের পরেও কোন উম্মত নাই, এ সময় এক সাহাবী (রাঃ) হুজুর (সাঃ) কে বললেন ইয়া রাসুলুল্লাহ (সাঃ) আপনি শেষ নবী আপনি দুনিয়া থেকে চলে গেলে আপনার উম্মতরা কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে আমরা আপনার মাহফিলে বসছি আখেরী জমানার উম্মতরা আপনার মাহফিলে বসতে পারলোনা তাদের জন্য আপনি কি ব্যবস্থা রেখে গেলেন, নবী (সাঃ) বললেন আমার সাহাবিরা আমার উম্মতদের বলে দিও আখেরি জমানার দুর্যোগময় মূহুর্তে আমার উম্মতেরা যদি একজন হাক্কানী আলেমর মাহফিলে বসল সে যেন আমার মাহফিলে বসল। আরেক সাহাবী বলল ইয়া রাসুল (সাঃ) আমারা আপনার পবিত্র চেহারা মোবারকের দিকে তাকাই কত সওয়াব পাই, নবী (সাঃ) বললেন আমার সাহাবীরা আমার উম্মতদের বলে দিও আখেরি জমানার দূর্যোগময় মূহুর্তে আমার উম্মতেরা যদি একজন হাক্কানী আলেমর চেহার দিকে মহব্বতের সাথে ভক্তি সহকারে তাকালো সে যেন আমার চেহারার দিকে তাকালো। আরেকজন সাহাবী বলল ইয়া রাসুল (সাঃ) আপনি আমাদের ইমাম আমরা আপনার মোক্তাদি আমরা আপনার পিছনে নামাজ পরি আখেরি জমানার উম্মতদের জন্য কি ব্যবস্থা রেখে গেলেন নবী (সাঃ) বললেন আমার সাহাবীরা আমার উম্মতদের বলে দিও আখেরি জমানার দূর্যোগময় মূহুর্তে আমার উম্মতেরা যদি একজন হাক্কানী আলেমর পিছনে নামাজ আদায় করে সে যেন আমি নবী আমার পিছনে নামাজ আদায় করল। আরেকজন সাহাবী আরজ করলেন ইয়া রাসুল (সাঃ) আমরা আপনাকে পথেঘাটে দেখি সালাম জানাই কত সওয়াব পাই আখেরি জমানার উম্মতদের জন্য কি ব্যবস্থা রেখে গেলেন নবী (সাঃ) বললেন আমার সাহাবীরা আমার উম্মতদের বলে দিও আখেরি জমানার দূর্যোগময় মূহুর্তে আমার উম্মতেরা যদি একজন হাক্কানী আলেমকে মহব্বতের সাথে ভক্তি সহকারে সালাম জানায় সে যেন হাজার বছর নফল এবাদতের সওয়াব পেল, আরেকজন সাহাবী বলল ইয়া রাসুল (সাঃ) আপনার সাথে মোসাফাহ করি কত সওয়াব পাই আখেরি জমানার উম্মতেরাত আপনার সাথে মোসাফাহ করতে পারলো না তাদের জন্য কি ব্যবস্থা রেখে গেলেন নবী (সাঃ) বললেন আমার সাহাবীরা আমার উম্মতদের বলে দিও আখেরি জমানার দূর্যোগময় মূহুর্তে আমার উম্মতেরা যদি একজন হাক্কানী আলেমের সাথে মহব্বতের সাথে ভক্তি সহকারে মোহসাফাহ করল সে যেন আমার সাথে মোহসাফাহ করল—–। এখন প্রশ্ন হলো এই ফেৎনার যুগে আমাদের মত মূর্খ জ্ঞানহীন উম্মি মুসলমানরা কি ভাবে চিনব হাক্কানী আলেম কারা কিভাবে চেনা যাবে তাদের ! প্রশ্ন জটিল উত্তর সহজ আপনি যদি কুরআনুল কারিমের সুরা তীন অনুসরন করেন তাহলে বুজতে পারবেন সুরা তিনে আল্লাহ মালিক তীন ফলের উদহারন দিয়েছেন, তীন ফলটা হলো ভিতরও খাওয়া যায় বাহিরও থাওয়া যায় এবং জান্নাতের ফলের সাথে সাদৃশ্য অর্থ্যাত ভিতর যে রকম বাহিরও সে রকম। আর দুনিয়ার ফলের উপর খেলে ভিতর ফেলে দিতে হয় ভিতর খেলে উপর ফেলে দিতে হয় এখানেই আল্লাহওয়ালাদের খুজে পাওয়া যায় হাক্কানী আলেমদের ভীতরও যে রকম বাহিরও সে রকম সুরাতও যে রকম সিরাতও সে রকম। এ ভাবেই খুজে নিতে হবে আমাদের ফুরফুরা,সারছিনা,নেছারাবাদ, চরমোনাই সহ বাংলাদেশের অসংখ্য হাক্কানী আলেমের লিল্লাহিয়াত সেবা চলছে । কিন্ত সেবা দেয়া সত্বেও তাদের চেইন ছেড়া হওয়ায় আমরা নবীর আদর্শ থেকে বঞ্চিত আর এই চেইন জোরা দেয়ার জন্য যিনি লিল্লাহিয়াত ভাবে নিরলস কাজ করে গেছেন তিনি হলেন সোনালী ইসলামের বিমল আদর্শ নবী (সাঃ) এর আদর্শ মুসলমানদের মধ্যে বাস্তবায়নের মডেল আওলিয়াকুল শিরোমনি নায়েবে রাসুল ওস্তাদুল ওলামা মরহুম আল্লামা হযরত আযীযুর রহমান কায়েদ ছাহেব হুজুর (রঃ) ঝালকাঠি, নেছারাবাদ। মুসলমানদের ঐক্যবদ্য করার যে ফরমূলা রেখে গেছেন তা বর্তমানে না বুজলেও একদিন মুসলমানরা বুজবে কেন মুসলমানদের ঐক্যবদ্য থাকা দরকার ছিল। তার এই ভিষন কিন্ত রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করার জন্য নয়। তুমি রাজনিতি কর সমস্যা নয়,তুমি যে পেশায় থাকো সমস্যা নয় তুমি যে দেশের নাগরিক হও সমস্যা নয় তুমি যে ভাষার মুসলমান হও সমস্যা নয় শুধু তুমি কলেমাগো মুসলমান তুমি প্রতিবেশীর হক নষ্ট করবে না কারো প্রতি জুলুম অত্যাচার করবে না নবীর আদর্শ নিয়ে চল—-। কলেমাগো মুসলমান পরস্পর ভাই ভাই। কেননা মুসলমানদের যত রক্ত এই পৃথিবীর জমিনে ঝরেছে তা রক্ত ঝরেনি ওই জমিনে কোরআনের বীজ বপন হয়ে গেছে কেননা কলেমাগো মুসলমানের রক্ত কোরান—–। ওই রক্তের কনিকার যখন বিষ্ফোরন ঘঠবে তখন দেখবে মুসলমানের শত্রুরা পালাবার জায়গা খুজে পাবে না। বর্তমানে হযরত কায়েদ ছাহেব হুজুর (রঃ) এর এক মাত্র ছাহেবজাদা যোগ্য উত্তরশুরি আমীরুল মুছলিহীন ওস্তাদুল ওলামা কলেমাগো মুসলমানদের ঐক্যবদ্য করার নির্ভীক শিক্ষক আলহাজ হযরত মাওলানা খলিলুর রহমান নেছারাবাদী হুজুর টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত বিরামহীন শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন কলেমাগো মুসলমানদের ঐক্যবদ্য করার জন্য। তিনি কোন রাজনৈতিক দল গঠন করার জন্য নয় একটা মার্কা নিয়ে তার এ শ্রম সে মার্কার নাম লা ইলাহা ইল্লাললাহ । বর্তমানে সারা বাংলাদেশ ছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে লা ইলাহার মার্কা নিয়ে ছুটে ছলছেন। তাই আসুন আমরা যে যে তরিকার হই,যে দলের হই কোন সমস্যা নাই আমরা কলেমাগোমুসলমান আমরা পরষ্পর ভাই ভাই আমরা শ্রেষ্ট উম্মত আমরা নবীর আদর্শকে বাস্তবায়ন করি আমরা সকল জাতির পাহারাদার এবং ইসলাম যে শান্তির ধর্ম কোন অর্থে (এ বিষয়ে দেখুন ২য় পর্ব) নবীর আদর্শ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা সে শান্তি প্রতিষ্টায় কায়েদী কাফেলায় যোগ দেই এবং একটি বারের জন্য হলেও ঝালকাঠীর নেছারাবাদ আসুন নেছারাবাদী হুজুরের ছোহবত নিন লা ইলাহার মার্কায় ভোট দিন।
প্রিয় পাঠক, আমি নামকরা কোন লেখক নই ,আসলে কূপের ব্যঙের মতো একজন মানুষ। জলে ডোবার মতো আতঙ্কের মাঝে ভাবনার ব্যাপকতায় আমাকে গ্রাস করল, কেন আমাকে হতচ্ছারা পৃথিবীতে টেনে আনা হলো ? আমার আতঙ্কের কারন জীবন এখানে ভয়ঙ্কর কঠিন, মানুষ এখানে মানুষকে পন্য করে জীবিকা করে,ব্যবহার করে এবং একজন মানুষ হিসেবেই আনন্দ এবং বেদনা এসব সত্যেও শেষ পর্যন্ত জীবনই জয়ী হয় কারন জীবন কখনো মরে না। এই কালোত্তীর্ন অনুভব আমাকে অনিবার্য দুঃসাধ্য কাজে ঝাপিয়ে পড়তে প্ররোচিত করেছে লেখার উদ্ধেশ্য আমার কাউকে হেয় প্রতিপন্য করার জন্য নয় কেননা একজন তালবেআলেমের জুতা সোজা করার এলেম আমার মধ্যে নাই শুধু কায়েদী কাফেলায় গিয়ে নেছারাবাদী হুজুরের সোহবতে অতৃপ্তি ভাবে কিছু সময় কাটানোর অভিপ্রায় আমার এ লেখা তবে লেখাটি ধারাবাহিকভাবে চলবে,আমার লেখার মাঝে যদি নবী সাঃ এর আদর্শর খেলাপ বা কলেমাগো মুসলমানের বিন্ধুমাত্র ক্ষতির কিছু থাকে বা বিন্ধু মাত্র শিরক থাকে তাহলে এ লেখাটি বাতিল বলে গন্য হবে———চলবে।

About the Author

-

%d bloggers like this: