করোনা সমাচার !

Share This
Tags


মো.আহছান উল্লাহ।
বাংলাদেশই নয় এই মুহুর্তে কভিট নাইন্টিন বা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে সমগ্র দুনিয়া উদ্বিগ্ন । এখন ভিক্ষুকের রান্না ঘড় থেকে রাজ দরবার পর্যন্ত,সবাই একটা জায়গায়। দায়ীত্বশীল ব্যাক্তি খেকে আম জনতা সবাইর চেষ্টা করোনা জয়ের। এর সাথে আসছে করোনা পরবর্তি বিশ্ব পরিস্থিতি। ভৌগলিক কারনে আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মাঝে যুদ্ধের দামামা চলছে। আমাদের কিন্তু সব মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। যাহার সাথে রাজনিতি,প্রকৃতি,পরিবেশ,অর্থনিতি,পারমানবিক পরিস্থিতি,মানবিকতা,ধর্মীয় বিষয়গুলোসহ অতিব জরুরি দিকগুলো জড়িত। যারযার করে করোনা জয়ের গল্প আগে লিখতে পাড়লে সে দেশ থার্ড ওয়ার্ল্ড গ্রীন ইকোনমির প্রান হবে। স্বাধীন গনতন্ত্রের দেশ বাংলাদেশের একজন আম জনতা হিসেবে থার্ড ওয়ার্ল্ড গ্রীন ইকোনমির নেতৃত্যের দেশ হওয়ার সপ্ন দেখা কি অন্যায় !
করোনা ভাইরাসের মহামারীর কারণে বিশ্বের বেশিরভাগ অংশ লকডাউনে আছে, মানব ইতিহাসে এ পরিস্থিতি নতুন নয়। মানবসম্প্রদায় এর আগেও এ রকম সঙ্কটের মুখোমুখি হয়েছিল। সে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে পুনরায় তার জাতিকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। লকডাউন হওয়ার ফলে কৃষিকাজ, বস্ত্র উৎপাদন, প্রযুক্তি, চিকিৎসা,শিক্ষাসহ অর্থনিতির প্রতিটি খাতই সংকটাপন্ন হতে পারে। ইতিমধ্যে সাধারণ নাগরিকদের উপর এর বড় প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় সরকারী,বেসরকারী,প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি সংস্থাগুলির অবশ্যই ভাবা উচিত। করোনা মানে নিশ্চিত মৃত্যু এটা ভূল। হ্যা করোনা নিশ্চিত মৃত্যু না হলেও মানব সম্প্রদায়ের জন্য এটি একটি অস্তিত্তের কঠিনতম লড়াই ঘুরে দাড়ানোর যুদ্ধ। আর এ যুদ্ধের অস্ত্র কোন বারুদের পোড়া গন্ধ নয়। এ যুদ্ধের অস্ত্র মানবিকতা সচেতনতা ঐক্যবদ্ধতা।
কুপের ব্যাঙের মত সাহস নিয়ে বলছি। একজন আম জনতা হিসেবে দেশের একজন সাধারন নাগরিক হিসেবে দেশের সঙ্কটমূহুর্তে কথা বলার অধিকার থাকে। সে আলোকে সরকারের নীতি ক্ষমতাসীন ও বিরোধী জোট উভয় রাজনীতিকদের সমালোচনা করা ভুল নয়, যদি তারা ভ্রান্তির মধ্যে থাকে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, গঠনমূলক সমালোচনা রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রের সহায়ক হিসেবে পর্যালোচিত হয়ে থাকে। তবে যে সমালোচনা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতি, তা না করাই ভালো।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসতে পারে এবং কিছু সময় পর আবার চলে যেতে পারে। কোন রাজনৈতিক দলই তার অস্তিত্বের নিশ্চিত স্থায়িত্ব দিতে পারে না। তবে নীতি, আইন, বিধি সর্বদা অব্যাহত থাকে এবং এই সমস্ত বিষয় নাগরিকদের প্রভাবিত বা সহায়তা করে।
বর্তমান সময়ে একটি কথা করোনার সাথে চাউর হচ্ছে সংকট। সংকট বলতে আসলে কী বোঝায় ? এটি একটি কষ্ট বা গুরতর বিপদ, বাধা, করুণ অবস্থা অথবা প্রভাবশালী ব্যাধি। সংকটটি কীভাবে ঘটে বা প্রসারিত হয় ?
প্রাথমিক সতর্কতা সম্পর্কে দেশ এবং এর অংশীদারদের অসতর্কতার কারণে, প্রাথমিক পর্যায়ে সঙ্কট মোকাবেলায় সংস্থানগুলি ব্যবহার না করার ফলে অনেক সময় এই সংকট বৃহত্তর স্তরে সম্প্রসারণ ঘটে এক বিরাট শোচনীয় অবস্থার প্রস্তুতি নিতে থাকে। কেননা এটি এমন একটি সময় সবাই সবার দায়ীত্ববোধ থেকে বাইপাস হতে থাকে। কথায় কাজে মিল না থাকা। আদর্শহীন মানুষ দ্বাড়া জনগনের জন্য বন্টনকৃত সরকারের সুবিধার অপব্যবহার,দায়ীত্বশীলদের কর্তব্যে অবহেলাসহ নানা সঙ্কট। করোনা নিয়ে আমাদের দেশে একটা হাসি তামাশা শুরু হয়েছে । আর এ হাসি তামাশার মূল কেন্দ্রবিন্দুর মানুষগুলোকে সংসোধন হওয়া দরকার। বিশ্বব্যাপী এ সঙ্কটের সময় যেমন সরকারের দায়ীত্ব আছে তেমনী বিরোধী রাজনৈতিক ডেরা থেকেও দায়ীত্ববোধের পরিচয় দেয়া উচিত। এ সঙ্কটে আমরা বাংলাদেশী এটাই আমাদের মূল বাক্য হওয়া উচতি। দায়ীত্বশীলদের সব সময় সংবরন করা উচিত। যে যত বড় দায়ীত্বশীল তার মাথা তত ঠান্ডা রেখে পথ চলা কথা বলা দরকার। এ ক্ষেত্রে আমাদের অনেক গ্যাফ রয়েছে যাহা সমাজ জীবনে ক্ষতিকর।
সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে করনীয়:
ব্যক্তি বা সংস্থা বা রাষ্ট্রকে সমস্যাজনক সময় থেকে রক্ষা করার বা সংরক্ষণ করার জন্য অথবা সংকট সামাল দেওয়ার জন্য মানবজাতি সাধারণত যে সমস্ত আশা আঙ্কাক্ষা ভোগ করে তা থেকে নিজেদের মুক্ত করতে হবে। সংকট পরিচালনার সময় সংকট মোকাবেলার জন্য বিশ্বাসযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতার ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়া একান্ত প্রয়োজন। ব্যক্তি বা সম্প্রদায় বা রাষ্ট্র যদি সংকটকে যথাযথভাবে পরিচালনা করতে ব্যর্থ হয়, তবে এই ব্যর্থতা বিপর্যয় বা কঠিন বিপর্যযয়ের কারণ হতে পারে।
করোনার পরিস্থিতিকে সামনে রেখে বলা যেতে পারে, এই রকম কঠিন সংকট থেকে সম্পূর্ণ রুপে মুক্ত হতে না পারলে, অথবা ব্যাপারটি গুরুত্বহীনতার সাথে অবলোকন করলে তাৎক্ষণিক পেনকিলালের মতো অসম্পূর্ণ অথবা অস্থায়ী ভাবে পরিস্থিতির উপশম ঘটালেও পুনরায় যখন এই সংকটাপন্ন অবস্থার আগমন ঘটবে তখন অবস্থা আরো অধিক পরিমাণে ক্ষতি সাধন করতে পারে।
উত্তরণ:
মানবিক উদারতা প্রয়োগ করুন,লকডাউনের ফলে সৃষ্ট এই কঠিন মুহুর্তে প্রতিবেশী, দৈনিক মজুরি উপার্জনকারী, বেসরকারী কর্মচারীরা এক অপরের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিলে খুব সহজেই এই কঠিন অবস্থা থেকে আমাদের উত্তরণ সম্ভব হবে।
সীমাবদ্ধ সরঞ্জাম সহ সংকটের মোকাবেলা : হক্কানি আলেমদের দিয়ে কোরআনের আলোকে সমাধান বের করার ব্যবস্থা করলে ভালো হয়। নবী হযরত ইউসুফ (আঃ) বহু আগে মিশরে একটি সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার ভিত্তিতে একটি সংস্কারবাদী নীতি প্রবর্তন করেছিলেন। চারটি অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য: উৎপাদন, খরচ, সংরক্ষণ এবং পুনরায় বিনিয়োগ (সঞ্চয়ের অংশ)। তিনি প্রতিটি অর্থনৈতিক প্রক্রিয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন; নীতিগত ভাবে কোন কিছুকেই অবহেলা না করে নির্ধারিত নীতি, উপায়, পদ্ধতি এবং পরিকল্পনার সময়সূচী (কার্যকর করার জন্য) সহ তিনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
মিশরের রাষ্ট্রপতি কে দেওয়া হযরত ইউসুফ(আঃ) এর এই সমাধানের উপায়ের পিছনে থাকা দর্শনটি বিজ্ঞ আলেমদের সাথে আলাপ করে পবিত্র কোরআন এবং নবী (সাঃ) এর বানী আমাদের এ সঙ্কট মূর্হুতে কাজে লাগাতে পারি। কোরআন হাদিস এর মাঝে এসব সঙ্কট ও তার সমাধান ও উত্তরনের উপায় আছে। তবে হক্কানি আলেম বলতে সুরা তিনের তাফসির অনুযায়ী। অর্থ হল যে আলেম এর ভীতর বাহির এক রকম কথা এবং কাজে যাদের মিল আছে আশা করি বিজ্ঞ আলেমরা বুজবেন। পৃথিবীতে কোরআন হাদীসের জ্ঞানে জ্ঞ্যানী একজন আলেম জান্নাতি ফুল তাদের জ্ঞানের প্রজ্ঞা অকল্পনীয়। দুনিয়ার ফল যেমন ভীতর খেলে বাহির ফেলে দিতে হয়। আর জান্নাতের ফল ভিতর বাহির সব খাওয়া যাবে। এ জন্যই একজন আলেমই নয় যে কোন মানুষের মাঝে এ রুপ রেখা থাকলেই তিনি সঠিক মানুষ। পবিত্র কোরান শুধু মুসলমানদের ধর্মীয় গ্রন্ত নয় পবিত্র কোরআন সমগ্র মানবতার মুক্তির ফরমুলা।
খাদ্য হ’ল জাতি,ধর্ম,উচু নিচু সাদা কালো প্রতিটি মানব সম্প্রদায়ের মৌলিক চাহিদা এবং এটি একটি দেশের অর্থনীতিরও মেরুদন্ড। বৃহত্তর চাষাবাদ ছাড়াও লকডাউন অথবা লকডাউন পরবর্তী অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে জনগণকে গৃহ-ভিত্তিক কৃষিকাজ শুরু করতে হবে, তা হোক শাকসব্জী, ফলমূল, শস্য ইত্যাদি। বিশেষভাবে গ্রামঞ্চলে অনেকেরই জমি আছে এটি চাষের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে যা স্বল্পমেয়াদী হলেও লক্ষ্য পূরণ করার সাথে অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে।
বাংলাদেশ কৃষিক্ষেত্রে অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল, তাই সরকারের উচিত খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য কৃষি ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধাপে পরিকল্পনা নেওয়া এবং তার সাথে বীজ সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা। আমাদের কৃষি ক্ষেত্রে একটা ভ্রান্ত ধারনা আছে আমরা মনে করি ধান উৎপাদন বেশী হলেই কৃষির জয়গান হয় না। একটু ভেবে দেখূন ধান মানি চাল এর সাথে আরো কত কিছুর প্রয়োজন। চালের বিপরিতে আমাদের ভাতের সাথে বিভিন্ন উপসর্গ আমদানী করতে হয় যা হিসেব করতে গেলে ধানের চেয়ে বেশী। ধান উৎপাদন বেশী হলেই কৃষিকে সয়ংসম্পূর্ন বলা যায় না। খাদ্য এবং খাদ্যর উপখাত গুলোর আমদনী নির্ভরতা কমিয়ে জিরোর কোঠায় আনতে হবে। আমাদের কিন্ত সব আছে উদ্যোগও আছে তারপরও কেন জানি সফলতা আসে না। আমাদের দেশেত সব আছে। মুল্যবান খনিজ দ্রব্য থেকে প্রকৃতির অনেক মূল্যবান সম্পদ আছে। তেল,গ্যাস,কয়লা,টাইটেনিয়াম,স্বর্ন্য,ইউরেনিয়ামসহ কি না আছে আমাদের দেশের খনিজ ভান্ডারে। এখানে আমি চ্যালেঞ্চ গ্রহন করতে পারি। আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দেয়ার মত রশদ আমাদের আছে এ ক্ষেত্রে আমরা বিশ্বের যে কোন দেশের ভালো কাজে সহযোগি হতে পারি আমরা কারো প্রতিপক্ষ হইতে চাই না তবে মানবাধীকারের বিষয়েও আমরা স্বচ্ছ থাকব। এ গুলোকে এখন কাজে খাটাতে পারলে আমরা বিশ্বে মাথা উঁচু করে দারাতে পারবো। আমাদের দেশের যে সব গবেষক উদ্ভাবক বিদেশে কাজ করছেন তাদের এখন দেশমূখ হওয়া দরকার। পুরোপুরি দেশমূখো হতে না পাড়লেও অন্তত পার্ট টাইম হিসেবে হলেও এখন সময় এসেছে মাতৃভূমির জন্য কিছু করার। আমরা শঙ্কিত না তবে আমাদের দুরদৃষ্টি সম্পন্ন হতে হবে। করোনা পরবর্তি সময়ে বেকার সমস্যার একট বড় ব্যাধী দেখা দিবে। খাদ্যর বিষয়ে আমাদের শঙ্কামূক্ত থাকতে হবে। বিশ্বের অনেক দেশ থেকে আমাদের প্রবাসিরা অনিচ্ছা সত্তেও চলে আসতে বাধ্য হবেন। প্রবাসিদের ধন্যবাদ দেয়ার ভাষা আমার নেই। প্রবাসিরা আমাদের একটি শরীরের গুরত্তপূর্ন অংশ। তাদের ত্যাগে আমাদের অনেক সূখ। স্যালুট প্রবাসিদের। এরপর শ্রমজীবী কিছু মানুষ শহর ছেড়ে গ্রাম কেন্দ্রিক হবে। এটাও মাথায় রেখে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কার্যক্রম মনিটরিং করা একদম মাঠ পর্যায়ে সরকারের দেয়া কার্যক্রমগুলোর কত পার্শেন্ট কাজ হয় ।
করোনা সংক্রমন যখন আসছে ও থাকবে কেননা পৃথিবীতে যত সংক্রমন আসছে প্রত্যেকটার অস্তিত্ত কিন্তু এখনও আছে। এই জায়গাটিতে আমাদের মনের সংক্রিনতা মনের সংক্রমন আগে সারাতে হবে।
আমাদের দেশে করোনা সংক্রমনে যাদের মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন বয়সের এ রকম ১শ মানুষের পুরো বায়োডাটা সংগ্রহ করুন। তাদের খাদ্য ঔষধ থেকে শুরু করে বাসস্থানের পরিবেশ ব্যক্তিগত আচরন সব মিলিয়ে গবেষনা করা হোক। আবার যারা সূস্থ্য হয়েছেন তাদেরও অনুরুপ একটি টিম দিয়ে গবেষনা করা হোক। এটা বেশী দুরহ কাজ নয়। গবেষনা টিম এর যে সমস্ত লোক থাকবেন আয়ুর্বেদ,এ্যালোপ্যাথী,হোমিওপ্যাথীর সব শাখা থেকে সমন্নয় করে এ গবেষনা টিম গঠন করে দ্রুত গবেষনা চালিয়ে যেতে হবে।
আমাদের প্রকৃতির কয়েকটি উপাদান দিয়ে তৈরি প্রাকৃতিক খাবার করোনা জয়ের জন্য ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। এটা তৈরি করে দেশের চাহিদা মিটিয়েও বিদেশে রপ্তানী করা যায়। এ উপাদান গুলো আমাদের দেশে সহজলব্য। ভেষজবীদরা এটা নিয়ে এগিয়ে আসলে করোনা পরবর্তী অর্থনিতিতে ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে। এখানে অনেক কথা থাকলেও লেখা লাম্ভা হওয়ার কারনে সংক্ষেপ করলাম।
করোনা মহামারীর কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও একটি উল্ল্যেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলবে। সরকার কৃষক, ক্ষুদ্র বিক্রেতা, ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিদের সুদমুক্ত ঋণ, লাভ এবং লোকসান ও শেয়ার হোল্ডার ইত্যাদি সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে দৃঢ়তার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে মহামারী পরবর্তী অবস্থা স্বল্প সময়ের মধ্যে খুব সহজভাবে স্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। এ জায়গায় সরকারের মনোভাব ভালো আছে বলে মনে করি। এবং থাকাটা উচিত।
বাংলাদেশে ৬৮ হাজার গ্রাম আছে এসব গ্রামের মধ্যে অন্তত ১০ হাজার গ্রাম কমপক্ষে ৩ বছরের জন্য প্রতিটি বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য,শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, সেলিব্রিটি (চলচ্চিত্র ও ক্রীড়া) এবং এনজিওর লোকেরা এলাকার বিকাশে সরাসরি তদারকি, এক কথায় দত্তকের মত পরিচালনা করতে হবে। আর এটা করতে সক্ষম হলে এটি বিশ্বের কাছে একটি দুর্দান্ত উদাহরণ হতে পারে।
একইভাবে সরকারি বে-সরকারি বিভিন্ন বিভাগগুলি সম্ভাব্য সমস্ত উপায়ে সঙ্কট সামাল দেয়াার ব্যবস্থা নিতে পারেন। ভিক্ষুকের রান্না ঘড় থেকে রাজ দরবার পর্যন্ত সবাই আমাদের দেশের এ সঙ্কট সময়ে ভালো ভুমিকা রেখেছেন। যাহারা সরকারের আদেশ মান্য করেছেন তাদেরও অবদান অশ্বিকার করি না। তবে এখনও যারা এই করোনা যুদ্ধকে পুজি করে আটা লাগানো চেয়ারে মহুয়ার গন্ধে আশক্তি হয়ে আছেন তাদের কিন্ত নতুন প্রজন্ম নতুন রাজাকার উপাধি দিতে ভূল করবে না। নতুন রাজাকারের আগমন না ঘটুক এটাই কাম্য। আসুন সংকট এবং সংকটের পরবর্তী সময়ের জন্য একে অপরকে সমর্থন করার জন্য, ঐক্যবদ্ধতার জন্য আসন্ন প্রজন্মকে শান্তিপূর্ণ, বিদ্বেষ মুক্ত এবং ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য এগিয়ে আসি। আমরা যুদ্ধ করে শুধু দেশ স্বাধীন নয় আমরা আমাদের ঐক্যবদ্ধতা,জ্ঞান,মানবিকতা ও শ্রম দিয়ে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চাই আমরা পারি। বাংলাদেশ আমার । কঠিনে কোমলে আমরা যে কোন পরিস্থিতিতে নিজেরাও সুরক্ষিত অন্যকেও সুরক্ষার হাত বাড়িয়ে দিতে পারি। এ ভাবনা কি অন্যায় – !
(লেখক-ভেষজ,পরিবেশ সম্মত কৃষি গবেষক ও উদ্ভাবক,সাংবাদিক-দৈনিক কালের কন্ঠ। ৭ এপ্রিল ২০২০ সাল।)

About the Author

-

%d bloggers like this: