একাডেমিক শিক্ষার সাথে নৈতিক শিক্ষাও গ্রহন করতে হবে—-মেয়র হারিছুর রহমান

Share This
Tags


আহছান উল্লাহ।।
নৈতিক শিক্ষা বলতে যা বুঝায় তা হলো, মানুষের মননে অন্তরে আদর্শিক গুণাগুণ তৈরি করবে শিক্ষায় নারী-পুরুষের সমতা অর্জনে বাংলাদেশ ছুঁয়েছে নতুন মাইলফলক। ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ, দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ, জীবনমুখী শিক্ষা, তথ্য প্রযুক্তি, আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ইত্যাদির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রতিভার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহন করতে হবে সুতরাং সবাইকে সার্বজনীন শিক্ষা অনুসরণ করতে হবে যা তাদের ব্যক্তিগত চরিত্র থেকে সম্ভাব্য মন্দ/খারাপ/অসৎ/অনিষ্টকর স্বভাব হ্রাস করতে বা সরাতে সাহায্য করবে।
তিনি আরো বলেন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলি গড়ে তুলতে পরিবারকে মুখ্য ভূমিকা পালন করতে হবে। কারণ পরিবারেই এসবের বীজ প্রোথিত হয়। এছাড়া সামাজিক পরিবেশ দেখে শিশুরা অনেক কিছু শেখে। এজন্য সমাজকে গুরুদায়িত্ব পালন করতে হবে। শিক্ষকরা ছাত্র-ছাত্রীদের প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলেন। সামাজিক কৃষ্টি-কালচার, রীতি-নীতিও শিক্ষার্থীদের মূল্যবোধ সৃষ্টিতে প্রভাব ফেলে। তাই প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষার সকল স্তরে নিয়মিত দেশের কৃষ্টি-কালচারবিষয়ক অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করতে হবে। এতে শিক্ষার্থীদের মাঝে সামাজিক দায়িত্ববোধ ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ সম্পর্কে একটি শক্ত ভিত গড়ে উঠবে। ফলে তারা বিপথগামী হওয়া থেকে বিরত থাকবে। সেইসঙ্গে তাদের মননশীলতার বিকাশ ঘটবে। এছাড়া মূল্যবোধ সৃষ্টিতে ধর্মীয় জ্ঞান বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। ধর্মের প্রকৃত পাঠই শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। এক্ষেত্রে ধর্মের অপব্যাখা দিয়ে কেউ যাতে শিক্ষার্থীদের ভুল পথে পরিচালিত করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানবিক গুণাবলির বিকাশের বিষয়টি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকের ত্রিভুজ সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের একটি ‘বৃক্ষ’ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়, যার সুন্দর ও যথাযথভাবে বেড়ে উঠা নির্ভর করে পরিচর্যার ওপর। পরিচর্যা যেমন হবে তার বেড়ে উঠাও তেমন হবে। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের সুন্দরভাবে বিকাশের বিষয়টি তাদের যথাযথভাবে দেখাশোনা এবং পরিচর্যার ওপর নির্ভরশীল।
মেয়র হারিছুর রহমান উপস্থিত শিক্ষক অবিভাবকদের উদ্দেশ্য করে বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে যুগান্তকারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছেন এটি আমাদের জন্য গৌরবের আর এ সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতে হবে। তিনি আরো বলেন বরিশালসহ গোটা দক্ষিনাঞ্চলের উন্নয়নের রুপকার বঙ্গবন্ধু আদর্শের অতন্দ্র প্রহরি দলমত নির্বিশেষে আমাদের সকলের অবিভাবক জননেতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে মহান আল্লাহ যেন হায়াতে তৈয়েবা দান করেন যিনি এ বয়সেও এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। গৌরনদী পৌরসভার জননন্দিত মেয়র ও গৌরনদী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হারিছুর রহমান উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগীতার অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে এ কথা-গুলো বলেন,তার বিভিন্ন সভার বিভিন্ন বক্তব্যর অংশ নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরী করা হয়েছে।

About the Author

-

%d bloggers like this: