Published On: Thu, Oct 12th, 2017

সন্ধ্যা তীরের আলোকিত মানুষ লতিফ খসরু

Share This
Tags

প্রতিবন্ধকতার অভাব নেই আমাদের চারিপাশে। তবে এ সত্য, সংকট, হতাশা ও দুঃসংবাদের মধ্যেও দেশের নানা প্রান্তে সাধারণ মানুষের আলোর পথের যাত্রা থেমে নেই। সততা, সাহস ও উদ্যোগ নিয়ে দৃষ্টান্ত হয়ে ছড়িয়ে থাকা আলো জ্বালা মানুষের সমাজে বড় অভাব।

মানুষ মুানুষের জন্য কথাগুলো কেবল গানে আর মুখরোচক শ্লোগানের মধ্যে বেশিরভাগ সময় সীমাবদ্ধ থাকে। কখনও কখনও সমাজের কিছু মানুষ তাদের কর্মকান্ডের যথার্থ প্রতিফলন ঘটাতে পারেন। কেউ কেউ তাদের আর্থিক সংগতি দিয়ে আবার অনেকে নিজ উদ্যোগে মানুষের জন্য কল্যাণকর কোনো অবদান রাখাার চেষ্টা করেন। এমন-ই এক দৃষ্টান্ত পিরোজপুরের কাউখালীর বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী, শিক্ষা উদ্যোক্তা, প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা সমাজ সেবক আব্দুল লতিফ খসরু।

দুপুর পেরিয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা আসে রেইনট্রি গাছটার নিচে এরপর সারা বিকেল চলে ওদের পাঠদান। ব্যতিক্রম পাঠশালার উদ্যোক্তা আব্দুল লতিফ খসরু। কাউখালীর মানুষের কাছে এখন বাকপ্রতিবন্ধীর বন্ধু নামে পরিচিত।

ওরা সবাই অতি দরিদ্র পরিবারের বাকপ্রতিবন্ধী সন্তান। পিরোজপুরের কাউখালীর সন্ধ্যানদীর পশ্চিম পাড়ের আমরাজুড়ী চরে সবার বাস। সপ্তাহের বৃহস্পতি ও শুক্রবার চরের একটা বিশালাকৃতির রেইনট্রি গাছের তলায় ১৫ জন বাকপ্রতিবন্ধী শিশু কিশোর মাদুর বিছিয়ে বসে। এটাই ওদের পাঠশালা। ইশারা আর ইঙ্গিতে চলে ওদের অভিব্যক্ত বিনিময়। প্রায় ৫ বছর ধরে আনুষ্ঠানিক পাঠশালায় ওদের বর্ণমালা লেখা শিখাচ্ছেন কাউখালী শহরের প্রবীন বিদ্যোৎসাহী আব্দুল লতিফ খসরু। শহরের খেয়াঘাট থেকে নৌকায় চড়ে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরের নিভৃত চরের ওই পাঠশালায় যান তিনি। প্রিয় শিক্ষার্থীদের জন্যে সাথে করে নিয়ে যান নিজের টাকায় কেনা খাবার। দুপুর পেরিয়ে গেলে শিক্ষার্থীরা আসে রেইনট্রি গাছটির নিচে। এরপর সারা বিকেল চলে ওদের পাঠদানা।

ব্যতিক্রমী পাঠশালার উদ্যোক্তা আব্দুল লতিফ খসরু কাউখালীর মানুষের কাছে এখন বাকপ্রতিবন্ধী বন্ধু নামে পরিচিত। এক সময়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি পাবে এই পাঠশালা। লেখাপড়ার সুযোগ পাবে সার দেশের সুবিধা বঞ্চিত বাকপ্রতিবন্ধীরা।

যেভাবে শুরু : ঘুর্ণিঝড় সিডরের পর আমরাজুড়ির চরে গৃহহীন লোকজনের পুনঃর্বাসনের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেন নৌবাহিনীর সদস্যরা। সেখানে পরিবারের সাত সদস্য নিয়ে আশ্রয় পান মঞ্জিলা বেগম (৪০), মঞ্জিলার স্বামী দিনমজুর আশ্রাব আলী ও চার বাকপ্রতিবন্ধী সন্তান।

আব্দুল লতিফ খসরু এ তথ্য জানার পর মঞ্জিলার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে শুরু করেন শিক্ষাকার্যক্রম। তিনি স্ব-প্রনোদিত হয়ে এস সপ্তাহের মধ্যে ওই চরে গিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শিশুদের তালিকা তৈরি করেন। মঞ্জিলার চার সন্তানের সঙ্গে তালিকাভূক্ত করা হয় আরো ১৫ জন শিশু কিশোরের নাম। শুরু হয় ১৫ জনকে নিয়ে এক ব্যতিক্রমী এক পাঠশালার। তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য নিজের টাকায় বই-স্লেট কিনে দিয়ে গাছের তলায় নিবিষ্টচিত্তে শিক্ষাদনের পর্ব শুরু করে দেন।

পাঠশালায় একদিন : আমরাজুড়ীর চরের বিশালাকৃতির রেইনট্রি গাছের নিচে চটের বস্তা আর মাদুর বিছানো। আব্দুল লতিফ খসরু সেখানে বসে আছেন। বগলদাবা করে বই আর স্লেট নিয়ে ছুটে আসতে দেখা যায় শিশু কিশোরকে। বর্ণমালা লিখতে ওরা সপ্তাহের দুইদিনে এভাবেই আসে পাঠশালায়। লেখাপড়া শেষে নেচে গেয়ে আনন্দ করে, একসঙ্গে খায়। আব্দুল লতিফ খসরুর পাঠশালায় বর্ণমালা লিখন শিখেছে মঞ্জিলার চার বাক প্রতিবন্ধী সন্তান রিজান (১২), শারাবন (৯), রিফাত (৬), রিয়াজ (৪)। ওরা এখন স্থানীয় প্রাইমারী স্কুলে বিভিন্ন শ্রেণিতে লেখাপড়া করে।

এছাড়া দিনমজুর আবুবকর আলীর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী দুই মেয়ে আসমা (১৫) ও তানজিলা (১০), সুশান্ত হালদারের মেয়ে শান্তা (৫), বাদশা মিয়ার মেয়ে আরিফা (১০)এবং অনাথ কিশোর মো. রফিক পাঠশালায় নিয়মিত যাচ্ছে। এরই মধ্যে আব্দুল লতিফ খসরুর কাছ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে মনজিলার ৪ সন্তান স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়াশুনা করে। ওদের ব্যয়ভার বহন করেন তিনি।

আব্দুল লতিফ খসরু শুধু পাঠদানই নয় উপজেলার গ্রাম-গঞ্জের সুবিধা বঞ্চিত হত দরিদ্রদের মাঝে বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ, পরিধেয় বস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিবন্ধীদের নিয়ে খেলাধূলা, বনভোজন, সংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রমাজান মাসে ইফতার, বর্ষবরণ, ঈদ উল ফিতর, চিত্রাংকন সহ নানা কর্মকান্ড করে যাচ্ছেন। এছাড়া এ জনপদের সুবিধা বঞ্চিত অসহায় মানুষকে নানাভাবে সহায়তা করেছেন তিনি।

মাধ্যমিক পর্যন্ত লেখাপড়া করেছি। প্রতিদিন শিশুদের আমি কিছু সময় বই পড়ানোর চেষ্টা করব।কাউখালী কেন্দ্রী আলিম মাদসার অধ্যক্ষ হোসাইন আহমেদ বলেন, সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের হাতে শিক্ষা উপকরণ তুলে দেওয়া একটি প্রশংনীয় উদ্যোগ।

আব্দুল লতিফ খসরু বলেন, বেদেরা স্থায়ীভাবে বসবাস না করায় তাদের শিশুদের বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার কোন সুযোগ বা পড়াশুনা করার সুযোগ হয় না। বেদে সরদারের সাথে কথা বলে জানলাম তিনি কিছু লেখাপড়া জানেন। সরদারে সঙ্গে আলোচনা করে শিশুদের শিক্ষা উপকরণ দিলাম। বেদে সরদার প্রতিদিন শিশুদের পাঠদান করাবেন। যাতে শিশুরা নিজেদের নাম লিখতে ও বই পড়তে পারে।

বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে চিত্রাংকণ : শহিদ মিনার আকল প্রতিবন্ধী শিশুরা। এ ব্যতিক্রমী প্রতিযোগিতার আয়োজন কাউখালী প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল লতিফ খসরু। মহা একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষ্যে ২০জন বাক প্রতিবন্ধী শিশুর অংশগ্রহণে স্থানীয় শহিদ মিনারে এ অংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্যোক্তা আঃ লতিফ খসরু শহিদ মিনার চত্বরে সমাবেশ বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের হাতে কাগজ ও রং পেন্সিল তুলে দেন। প্রতিযোগিতা শেষে প্রতিযোগিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কাউখালী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায়।

বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে ভালোবাসা দিবস পালিত : কাউখালী প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি আব্দুল লতিফ খসরুর অন্যরকম ভালোবাসা। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুরের কাউখালী সন্ধ্যা নদীর আমরাজুড়ী চড়ের আবাসনে আশ্রিত ২০ জন বাক প্রতিবন্ধী ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব শিশুদের মিষ্টি মুখ করিয়ে দুপুরে খাবার পরিবেশন করা হয়। কাউখালী প্রতিবন্ধী পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষানুরাগী আঃ লতিফ খসরু ভালোবাসা দিবসে প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে এ ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছিলেন। এ সময় প্রতিবন্ধী শিশুদের ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সব সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পরিদেয় জামাকাপড় দেওয়া হয়। প্রতিবন্ধী শিশুরা ভালোবাসা দিবসে আনন্দ উৎসবে এ দিনটি উদযান করে।

প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে বর্ষবরণ : পিরোজপুরের কাউখালীতে প্রতিবন্ধীরা নেচেগেয়ে বর্ষবরণ করেছে। উপজেলার আমরাজুড়ী আবাসনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবন্ধীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রতিবন্ধী পাঠশালার সব শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিশুরা নেচেনেচে আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে। আর এ অনুষ্ঠানের আয়োজক শিক্ষানুরাগী আঃ লতিফ খসরু।

প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে বনভোজন : পিরোজপুরের কাউখালীতে চরবাসী প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে বনভোজন। কাউখালী সন্ধ্যা নদীর তীরবর্তী আমরাজুড়ী চড়ের আবাসনে আশ্রিত অতি দরিদ্র বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের এ বনভোজনের আয়োজন করেছিলেন প্রতিবন্ধী পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা সমাজসেবক আঃ লতিফ খসরু। তিনি নিজস্ব উদ্যোগে চড়ের বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের নিয়ে এ বনভোজনের আয়োজন করেন। এতে আমরাজুড়ী চড়ের ২০ জন বাক প্রতিবন্ধী শিশু অংশ গ্রহণ করে।

একজন সামাজিক উদ্যোক্তা : আব্দুল লতিফ খসরু শুধু প্রতিবন্ধীদের জন্য পাঠশালারই উদ্যোগ নেননি, কাউখালীর সব সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে তার অংশগ্রহণ থাকে সবার আগে। তিনি কাউখালী তথ্যকেন্দ্র সহ পিরোজপুর জেলার তথ্য সংরক্ষণের জন্য শহরের উত্তর বন্দরে নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন তথ্য সংগ্রহশালা। সেখানে রয়েছে একটি পাঠাগার ও প্রতিবন্ধী কল্যান সংস্থা। স্থানীয় বেম কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ছিলেন তিনি। ভাষার মাসে ভাষা আন্দোলন ও বিজয়ের মাসে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য তিনি ভিবিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে তথ্য পুস্তিকা বিতরণ করেন। এছাড়া আব্দুল লতিফ খসরু উর্মিল রানি রায় নামের এক বিধবা অসহায় নারী মুক্তিযোদ্ধাকে খুজে বেড় করেন এবং উপজেলার রিকশা চালকের ছেলেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া মেহেদি ও দিনমজুর ছত্তার মোল্লার মেয়ের জেএসসি পরীক্সায় জিপিএ ৫ পাওয়া কারিমাকে খুজে বের করে তাদের নানাভাবে সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। স্বীকৃতি না পাওয়া নারী মুক্তিযোদ্ধা সত্তোরোর্ধ উর্মিলা রায় বলেন, মুক্তিযোদ্ধে স্বামী সন্তান হারিয়েছি। তিনকূলে আর কেউ নেই। জীবনের শেষ বয়সে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পেলৌ নতুন প্রজন্মের কাছে স্বীকৃতি পেয়ে ভাল লাগছে। এ স্বীকৃতি পাওয়া গেছে কেবল খসরু বাবার কারণে।

আব্দুল লতিফ খসরু পিরোজপুর জেলার কাউখালী মহাবিদ্যালয়ের ২০১১ সালে গভর্ণিং বডি নির্বাচনে সর্বাধিক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।

আব্দুল লতিফ খসরু ২০০৪ সালে একই কলেজে বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৮ সালে একই কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচনে পুনরায় তৃতীয় বারের মত সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে ও ২০১১ সালে পরপর ৩ বার পিরোজপুর জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজসেবক নির্বাচিত হন।
পুনরায় ২০১১ সালে পিরোজপুর শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজসেবক নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে আঃ লতিফ খসরু বরিশাল বিভাগে ২০১৩ সালে বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন কর্তৃক বরিশাল বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজসেবক নির্বাচিত হন।
বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষা পদক ২০১৩ লাভ করেন।
২০০৯ সালে ৯ জুন শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য আঃ লতিফ খসরু বলেশ্বর পদকে ভূষিত হ ন।
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষ্যে শিক্ষা শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য আব্দুল লতিফ খসরু বিএসবি ফাউন্ডেশন ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ কর্তৃক শ্রেষ্ঠ শিক্ষা উদ্যোক্তা এ্যাওয়ার্ড ২০১১ এ ভূষিত হয়।
২০১১ সালে ঢাকা এটিএন বাংলা স্টুডিওতে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আব্দুল লতিফ খসরু হাতে এ পদক তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর আ.আ.মস আরেফিন সিদ্দিক।
এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন এর জড়িত আছেন।

কাউখালী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো. সাইদুর রহমান বলেন, খসরু একজন সামাজিক উদ্যোক্তা। তিনি সংস্কৃতিসেবী ও শিক্ষা উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক হিসাবে এলাকায় সুপরিচিত।

কাউখালী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত রায় বলেন, আব্দুল লতিফ খসরু এই বয়সে সমাজ উন্নয়নৈ সেব উদ্যোগ নিচ্ছেন তা আমাদের সবার জন্য অনুকরনীয়।

কাউখালী সদরের ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আমিনুর রশীদ মিল্টন বলেন, বাক প্রতিবন্ধীদের শিক্ষার আলো দেওয়ার জন্য খসরু ভাইয়ের নেওয়া উদ্যোগে আমরা অভিভূত।

উদ্যোক্তা আব্দুল লতিফ খসরু বলেন, আমি কোন কিছু চাওয়া বা পাওয়ার জন্য এসব কাজ করছিনা। সমাজের একজন সচেতন মানুষ হিসাবে গভীর এক দায়বদ্ধতা থেকে এসব কাজ করছি। প্রতিবন্ধী শিশুদের পরিবার ও সমাজ বোঝা হিসেবে দেখে। হতদরিদ্র, সুবিধাবঞ্চিত প্রতিবন্ধীদের কথা চিন্তা করে আমি প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠা করি।

About the Author

-

%d bloggers like this: